পটাশিয়াম, ফাইবার, ভিটামিন বি৬, আয়রন সমৃদ্ধ কলা অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ফল। হজমশক্তি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এই ফল। এটি সারা বিশ্বে এবং বাংলাদেশেও ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়। এই ফল কেবল আমাদের শক্তিই দেয় না, মিষ্টির আকাঙ্ক্ষাও পূরণ করে।
সেই সঙ্গে রয়েছে নানা উপকারিতা। সাধারণভাবে হলুদ ও সবুজ কলা বাজারে সহজলভ্য। এর উপকারিতা সম্পর্কে অনেকেই অবগত। তবে আপনি জেনে অবাক হবেন, লাল রঙেরও কলা পাওয়া যায়।
শুধু তাই নয়, লাল কলা হলুদ ও সবুজ কলার চেয়েও বেশি পুষ্টিকর। চলুন, তাহলে জেনে নেওয়া যাক লাল কলা কতটা উপকারী এবং কখন খেলে এর উপকারিতা দ্বিগুণ হয়। অস্ট্রেলিয়া, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, মেক্সিকো ও আমেরিকাতে লাল কলা চাষ করা হয়। তবে এখন এটি আমাদের দেশেও চাষ করতে দেখা যায়।
তবে বাজারে খুব একটা দেখা না গেলেও মাঝে মধ্যে দেখা পাওয়া যায়। লাল কলায় ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন সি এবং অ্যান্থোসায়ানিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে। এগুলো আমাদের শরীরের কোষের ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে। এই কলা ভিটামিন এ এবং ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ, যা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ক্যারোটিনয়েড সমৃদ্ধ খাবার খেলে বয়সজনিত চোখের রোগের ঝুঁকি কমতে পারে।
লাল কলা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ, যা সোডিয়ামের ক্ষতিকারক প্রভাব প্রতিরোধ করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও অন্যান্য হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
লাল কলায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ফাইবার হজমের স্বাস্থ্য উন্নত করে এবং অন্ত্রের প্রদাহ কমায়। এই কলা বিটা-ক্যারোটিন এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। এগুলো আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে।
তবে খাবারের পরে লাল কলা খাওয়া উচিত নয়। কারণ এগুলো পেট ভরা অনুভব করাবে। খাবারের পরে এই কলা খেলে অলস বোধ করতে পারেন।
সূত্র : আজতক বাংলা
Leave a Reply